বাগেরহাট

দেখে এলাম ষাট গম্বুজ মসজিদ

প্রকাশ : 20 জুলাই 2011, বুধবার, সময় : 11:20, পঠিত 7582 বার

এসএম নাজমুল হক ইমন
খানজাহান আলীর (রহ.) সমাধিসৌধ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমে ষাট গম্বুজ মসজিদ চত্বরে। ভ্যান বা রিকশায় চেপে গেলে সময় লাগবে ১৪-১৫ মিনিট, ভাড়া ১০-১২ টাকা। কোস্টারে চেপেও আসতে পারেন। বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়ক থেকে ২০০ গজ দূরে উত্তর দিকে এই অতি প্রাচীন দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির অবস্থান। তিনি আনুমানিক ১৪৫০ সালে এই মসজিদটির নির্র্মাণ করেন। তিনি দিলি থেকে যেসব দক্ষ কারিগর সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন, তাদের দ্বারাই এই অপূর্ব মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল। এতে ব্যবহৃত পাথর তিনি বহু দূর দেশ থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। এই মসজিদটি নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল প্রায় ২০ বছর। এই মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম স্থাপত্যের সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই মসজিদটি খানজাহানের অমরকীর্তি। এর নির্মাণশৈলী আপনাকে মুগ্ধ করবে। সাধারণত এই মসজিদকে ষাট গম্বুজ মসজিদ বললেও এতে রয়েছে মোট ৮১টি গম্বুজ। এসব গম্বুজ ও ছাদের ভার বহনের জন্য মসজিদের ভেতরে রয়েছে ৬০টি স্তম্ভ। পাথরের বড় বড় টুকরা দিয়ে স্তম্ভগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। সংস্কারের ফলে এখন এই পাথর দৃষ্টিগোচর হয় না। একটি অনুচ্চ প্রাচীর দিয়ে এই মসজিদটি ঘেরা। ভেতরে সবুজ লন ও ফুলের বাগান দেখতে পাবেন। মসজিদের মূল প্রবেশপথটিও বেশ আকর্ষণীয়। আশির দশকে ইউনেস্কো এই মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।

যেভাবে যাবেন
প্রতিদিন অসংখ্য বাস মতিঝিল, গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে বাগেরহাট-খুলনা যাতায়াত করে। এসি-নন এসি ও সাধারণ কোচ সব ধরনের বাসই পাবেন। সময় লাগে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা।

থাকার ব্যবস্থা
বাগেরহাটে থাকার সুব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। মাজার কমপেক্সেও থাকার মতো বাসা ভাড়া পাওয়া যায় না। তবে খুলনা থেকে বাগেরহাটে আসতে সময় ১ ঘণ্টা লাগার কারনে খুলনাতেই থাকা ভালো। তাই ঘুরে আসুন প্রত্মতাত্ত্বিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাগেরহাটে।


সর্বশেষ


সর্বাধিক পঠিত

Music | Ringtone | Book | Slider | Newspaper | Dictionary | Typing | Free Font | Converter | BTCL | Live Tv | Flash Clock Copyright@2010-2014 turiseguide24.com. all right reserved.
Developed by i2soft Technology