জামালপুর

যমুনার জন্মভূমিতে

প্রকাশ : 06 অক্টোবর 2011, বৃহস্পতিবার, সময় : 09:16, পঠিত 2480 বার

মাহমুদুর রহমান রাজু
সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম। এমন সময় তিনি পাশে এসে বললেন, ‘ঘুরতে যাবেন’? তার দিকে তাকালাম, ২/৩ সেকেন্ড ভাবলাম, তারপর প্রশ্ন করলাম, ‘কোথায়’? ‘দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর জেলায় পড়েছে’। ‘কি আছে সেখানে’? ‘নদী-বাতাস-চর...’। ‘মানুষ আছে’? ‘তাতো আছেই, বঙ্গদেশে মানুষ থাকবে না’? ‘তাইলে চলেন’। আমার জন্য ট্যুর করা অনেক সহজ। তার কারণ, আমি ট্যুরে যাই মানুষ দেখতে। আর বাংলাদেশের মতো দেশে মানুষ দেখাতো খুবই সহজ বিষয়। প্রাচীন কোন পুরাকীর্তি-সাগর-পাহাড় এগুলো আমাকে যত টানে তার চেয়ে বেশি টানে অচেনা লোকালয়। আমাকে টানে নিস্তব্ধতা।
কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢুকতেই আমি কেমন একটা নিস্তব্ধতা-নির্জনতা অনুভব করলাম। আমি, তিনি আর আমার বন্ধু কামরুল যাচ্ছি ট্যুরে। ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে সেই চিরাচরিত সমস্যা, টিকিট নেই। পরে ব্লাকে টিকিট কাটতে হল, তাও আবার চেয়ার কোচ পাওয়া গেল না, শোভন শ্রেণী, মানে লোহার বেঞ্চিতে টিকিট কাটা হল। ট্রেনে যতবার জার্নি করেছি, ততবারই এই একই সমস্যা, কাউন্টারে টিকিট থাকে না, থাকলেও স্ট্যান্ডিং টিকিট, কিন্তু কাউন্টারের সামনেই ব্লাকে টিকিট বিক্রি হয়। একবার দিনাজপুর থেকে স্ট্যান্ডিং টিকিট নিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঢাকায় এসেছিলাম, অথচ ফার্স্ট ক্লাসের পুরো বগিটা খালি ছিল।
সাড়ে সাতটার ট্রেন সাড়ে আটটায় ছাড়ল, কেন লেট, আমরা জানি না, জানতেও ইচ্ছে করল না। কিন্তু ছাড়ল যে! তাতেই আমরা খুশি। সিট সংক্রান্ত কারণে মেজাজ খারাপ নিয়েই যাত্রা শুরু হল। এমনিতে তো বেঞ্চ তার ওপর আবার সিট পাশাপাশি না, কামরুলের সিটটা বেশ দূরে। কিন্তু টঙ্গি ক্রস করে ট্রেন যখন শালবনের মধ্যে ঢুকল তখন মনটা ভালো হয়ে গেল। শীতে শালপাতা ঝড়ে যায়, বসন্তে আবার নুতন পাতা গজায়, নতুন পাতার রং ফ্লোরোসেন্ট গ্রিন। শালবন কেমন ছড়ানো ছিটানো দ্বীপের মতো, কয়েকশ’ বা কয়েক হাজার গাছ নিয়ে একেকটা দ্বীপ, তারপর কিছুটা খালি জায়গা, তারপর আরেকটা দ্বীপ। এরকম হাজার-হাজার, লাখ-লাখ দ্বীপ নিয়ে শালবন। মাঝে মাঝে খালি জায়গা, এই খালি জায়গাগুলো কি প্রাকৃতিক, নাকি মানুষ কেটেছে চাষবাসের জন্য বুঝলাম না। এখন বসন্ত চলছে তাই শালবনজুড়ে ফ্লোরোসেন্ট সবুজ পাতার বন্যা। আর তারই মধ্যদিয়ে ছুটে চলেছে আমাদের ট্রেন।
শালবন পার হয়ে ট্রেন ঢুকল লোকালয়ে; ঘরের পেছন দিয়ে, পুকুরপাড় দিয়ে, ক্ষেতের মাঝ দিয়ে কোণাকুণি, রাস্তার ওপর দিয়ে, কিংবা রান্নাঘরের পাশ দিয়ে ট্রেন ছুটে চলেছে। ট্রেনের জানালা দিয়ে এসব দেখে মনে হচ্ছে একটা স্থির হয়ে থাকা সমাজের ঠিক ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলেছি। সমাজের নাড়িনক্ষত্র সব দেখা যাচ্ছে। ট্রেনের জানালা দিয়ে তাকালে ট্রেনলাইন বা কোন কোন ক্ষেত্রে পাথরগুলোও দেখা যায় না, তাই মনে হয় না আমরা কোন রাস্তা দিয়ে যানবাহনে চড়ে যাচ্ছি। মনে হচ্ছে যেন কোন একটা চলন্ত ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে পাশের ঘর-বারান্দা, রান্নাঘর, রাস্তা, পুকুরপাড় দেখছি। যেন আমরা এদেরই প্রতিবেশী, জ্ঞাতি-গোষ্ঠীŅ পাশের ঘরের মানুষ।
ময়মনসিংহের ট্রেনগুলোতে প্রচুর মানুষ ওঠে, পা রাখার জায়গা থাকে না। ট্রেনগুলোও তত ভালো না। কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে উঁকি দিতেই মাইলের পর মাইল সবুজ ধান ক্ষেত, সব ধান গাছ আবার একই রকম সবুজ নয়, কোনটা গাঢ় সবুজ, কোনটা হালকা সবুজ, কোনটা আবার উজ্জ্বল সবুজ। ময়মনসিংহ স্টেশনে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে ট্রেন যখন আবার ছাড়ল, তখন ট্রেনে আগের চেয়েও বেশি ভিড়। এবং সবাই টিকিট কাটা যাত্রী, কেউ ফ্রি যাচ্ছে না। জামালপুর এসে ট্রেনটা একটু খালি হল।
এতক্ষণ তিনি চুপচাপ ছিলেন, ভাবলাম এতক্ষণ কথা না বলাটা অভদ্রতার পর্যায়ে চলে যায়, তাই প্রশ্ন করলাম, ‘আপনার নামটা তো জানা হল না’। ‘ব্রহ্মপুত্র’। আমি হেসে দিয়ে প্রশ্ন করলাম, ‘নিজের দেয়া নাম, নাকি বাবা-মায়ের দেয়া নাম’? তিনিও হাসলেন, বললেন, ‘জানি না’। ‘দেওয়ানগঞ্জ যাচ্ছেন কেন’? ‘কিছু স্মৃতিচারণ আর পুরনো হিসাব-নিকাশ বাকি আছে’। খুব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমাকে চেনেন কিভাবে? আমার কাছে কেন এলেন’? ‘১১০২ সালে সামারকান্দ শহরে তোমার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা, ওমর খৈয়ামের অবজারভেটরিতে। তুমি বলেছিলে, তুমি ঘুরতে খুব পছন্দ কর। এরপর ১৯১২ সালে টাইটানিকের ডেকে তোমার সঙ্গে চা খেয়েছি, তোমার সঙ্গে ছিল তোমার ইরানি গার্লফ্রেন্ড আর ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়ামের’ মূল কপি, যেটা তোমারই ভুলের কারণে আটলান্টিকের জলে হারিয়ে গেল’। আমার চমকে ওঠা ভাবটা কাটিয়ে উঠতে একটু সময় লাগল, গম্ভীর হয়ে তাকিয়ে বললাম, ‘আপনি কি জš§ান্তরের কথা বলছেন? আমি ওসব বিশ্বাস করি না’। ‘আমি তো তোমাকে বিশ্বাস করতে বলিনি, বলেছি শুধু দেওয়ানগঞ্জ যেতে’। তারপর আবার দু’জন চুপচাপ।
জামালপুর থেকে ট্রেন ছাড়ল এবং প্রায় নিশ্চিত নিয়মিত আমার বন্ধু কামরুলের পাশের সিটে এসে বসল এক কলেজপড়–য়া মেয়ে। কামরুল খুব সহজেই মেয়েদের সঙ্গে খাতির জমাতে পারে এবং যেখানেই যায় কারও না কারও সঙ্গে পরিচয় হয় এবং কোন না কোন ঘটনা ঘটে। এজন্যই বললাম নিশ্চিত নিয়তি। মেয়েটি জামালপুর কলেজে পড়ে, বাড়ি দেওয়ানগঞ্জের ইমিডিয়েট আগের স্টেশনে, কলেজ শেষে বাড়ি ফিরছে। মেয়েটি খুবই সহজ, সরল এবং স্বাভাবিকভাবে কামরুলের সঙ্গে কথা বলছিল। কামরুল সে তার অপরিচিত এটা তাকে দেখে মনেই হচ্ছিল না। প্রায় ৪৫ মিনিটের জার্নিটা তারা দু’জন বেশ হাসি-খুশিভাবে গল্প করে কাটিয়ে দিল। আমার পাশের সিটে এসে বসেছিল ১৭/১৮ বছর বয়সের এক কিশোর, তার মোবাইলের হিন্দি গানগুলো সে বাজাতে পারছিল না। আমার কাছে সাহায্য চাইল। কিন্তু আমিও কোন কূলকিনারা করতে না পারায় সে হতাশ হল। ট্রেন দেওয়ানগঞ্জ থামল প্রায় বিকাল ৪টায়।
দেওয়ানগঞ্জ রেল স্টেশন কেন্দ্রিক শহর, রেলস্টেশন কেন্দ্রিক শহরগুলো প্রায় বর্গাকার হয়। স্টেশনের চারপাশে শহর গড়ে ওঠে। এ শহরের মানুষগুলো সাধারণত অন্য জেলা থেকে আসে এবং নির্ঝঞ্ঝাট টাইপের হয়। আর নদী বন্দরকেন্দ্রিক শহরগুলো হয় লম্বা টাইপের, নদীর তীর বরাবর, আর চোর-বাটপারের আধিক্যও বেশি হয়। দেওয়ানগঞ্জ এক সময় দুটোই ছিল। কিন্তু যমুনা ব্রিজ চালু হওয়ার পর দেওয়ানগঞ্জ ঘাট বন্ধ হয়ে যায়। আর সেই স্মৃতি নিয়ে যাতে দেওয়ানগঞ্জের মানুষ দুঃখ করতে না পারে তাই যমুনার ছোবলে নদী পাড়ের দেওয়ানগঞ্জ হারিয়ে গেছে, টিকে আছে শুধু রেললাইন কেন্দ্রিক দেওয়ানগঞ্জ। দেওয়ানগঞ্জ থানা সদর হলেও পৌরসভা, কাজেই যেকোন জেলা শহরের মতোই দেখতে অথচ অত লোকজন নেই। এ কারণে দেওয়ানগঞ্জ শহরটা বেশ সুন্দর, শহরের উত্তর দিক থেকে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র, ওই দিকটায় প্রচুর বাতাস, প্রচুর।
ট্রেন থেকে নেমে রিকশায় করে বাজারে গেলাম খেতে। সাধারণত নদীর দিকে গেলে আমি মাছ খেতে চাই, টাটকা মাছ পাব ভেবে। কিন্তু যেতে দেরি হওয়ায়, গিয়ে দেখি মাছ শেষ, মাংস দিয়ে ভাত খাওয়া লাগল। কিন্তু যে দই এবং মিষ্টি খেলাম, তা অতুলনীয়। দেওয়ানগঞ্জ গেলে কেউই কখনও মিষ্টি না খেয়ে আসবেন না। এরপর রওনা দিলাম নদীর ঘাটের দিকে। দেওয়ানগঞ্জ ঘাট থেকে ট্রলার যায় গাইবান্ধা, আড়াই ঘণ্টা লাগে। আমাদের ইচ্ছা ওপাড়ে গাইবান্ধা যাব, গিয়ে থাকতেও পারি আবার চলেও আসতে পারি, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা। কিন্তু ঘাটে গিয়ে দেখি আজ আর ট্রলার যাবে না; সন্ধ্যার পর নদীতে ট্রলার চলে না, শেষ ট্রলার চলে গেছে। মন খারাপ করে ঘাটে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই দেখি একটা নৌকা যাচ্ছে একটা চরে। আমরাও উঠে পড়লাম। চরে যেতে লাগল ২০/২৫ মিনিট। অনেকটা কক্সবাজার বিচের মতো দেখতে চরটা। একটু এগিয়ে দেখি বিশাল ভুট্টা আর বাদামের ক্ষেত। সূর্যাস্ত দেখলাম, সন্ধ্যার লাল আকাশ দেখলাম। যমুনা নদীর মাঝে বিশাল চরে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম অনেকক্ষণ।
দেওয়ানগঞ্জ এবং আশপাশের মানুষজন খুব সহজ-সরল প্রকৃতির, বিশেষ করে এই চরের মানুষেরা। এখানে বিদ্যুৎ নেই, প্রযুক্তি নেই, ব্যস্ততা নেই কিন্তু জীবন আছে। এমন একটা চরে এক মাস থাকতে পারলে জীবনটাকে আরও বোঝা যেত মনে হয়। ইচ্ছে আছে নিদেনপক্ষে ১ সপ্তাহ এসে থাকব এর পরেরবার। ক্যাম্পিং করার জন্য এই চরের চেয়ে ভালো জায়গা বাংলাদেশে নেই।
সন্ধ্যার পর ফিরে আসার জন্য নৌকার ঘাটে এসে দেখি আমাদের সঙ্গে তিনি নেই, অনেক চিৎকার-চেঁচামেচি করেও কোন কূলকিনারা করা গেল না। কখন যে তিনি হাওয়া হয়ে গেলেন আমরা টেরই পেলাম না। আবার এটাই শেষ নৌকা, মিস হলে সারা রাত এই চরেই থাকতে হবে, তাই তাকে ফেলেই এপাড়ে চলে এলাম। এপাড়ে এসে হঠাৎ শখ জাগল বাংলা সিনেমা দেখব; স্টেশনের পাশে একটা হলে ঢুকলাম। কাজী মারুফের বস্তির ছেলে কোটিপতি মুভিটা চলছে, এর আগে সর্বশেষ বাংলা সিনেমা দেখেছিলাম বিটিভিতে কোন এক শুক্রবার, আজ থেকে ১১ বছর আগে। বাংলা সিনেমা অনেক বদলে গেছে। এই সিনেমাটার কাহিনী যিনি লিখেছেন তিনি বেশ জানাশোনা লোক বলে মনে হল। কাহিনীতে অনেক লজিক আছে। হলের অবস্থা বেশ করুণ, কিন্তু যারা সিনেমা দেখছে তারা সিনেমার প্রত্যেকটা দৃশ্যের সঙ্গেই মিশে যাচ্ছে, উপযুক্ত রিঅ্যাক্টও করছে। আমাদের দেশে শুধু টাকা-পয়সা বিষয়ক বৈষম্যই নয় সাংস্কৃতিক বৈষম্যও বিরাট।
রাতে খেয়ে গিয়ে উঠলাম একটা হোটেলে। হোটেলের অবস্থা বেশি ভালো নয় কিন্তু এর চেয়ে বেশি ভালো আশাও করিনি। এরপর আমি আর কামরুল বের হলাম রিকশা ভ্রমণে, রিকশা চলছে ব্রহ্মপুত্র নদের বাঁধের উপর নির্মিত রাস্তা ধরে। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ, ঝিরঝিরে বাতাস, রাত ১১টা বাজে, এমন সময় আমার মতো অভাগাকেই আরেকটা ছেলের সঙ্গে রিকশায় করে ঘুরতে হয়। আফসোস।
হঠাৎ দেখি বাঁধের উপর কে যেন বসা, কাছে গিয়ে দেখি আমাদের সেই তিনি, মানে ব্রহ্মপুত্র, ‘আরে আপনি কোথায় হাওয়া হয়ে গেছিলেন’? ‘উত্তরের দিকে গেছিলাম, ওখানে আমার সঙ্গে যমুনার বিচ্ছেদ হয়েছিল ১৭৮৭ সালে। এরপর এখান থেকে চলে গিয়েছিলাম, তারপর এই এলাম’। কামরুলকে একটা চিমটি কেটে ওনাকে আবার বললাম, ‘বস একটু খুলে বলুন তো আপনার কাহিনী, আলাদা আলাদা করে বললে বুঝতেছি না’। কামরুল কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, আমি ওকে থামিয়ে ওনাকে বললাম, ‘চলেন, হোটেলে যাই’। ‘তোমরা যাও আমি পরে আসছি’।
রাত ১২টার দিকে রুমে ফিরলাম, সারাদিন তোলা ছবিগুলো ফেসবুকে আপ করে ঘুমাতে গেলাম। সকালে ঘুম থেকে ওঠে নাস্তা করার আগেই ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে দেখি সেই একই ঘটনা, টিকিট নেই। মেজাজটাই খারাপ হয়ে  গেল। রাগ করে স্টেশন থেকে বের হয়ে আমি আর কামরুল ব্রহ্মপুত্র নদের কূলঘেঁষে শহরের রাস্তা ধরে হাঁটছি। দেওয়ানগঞ্জের মানুষদের বিষয়ে বলি; এরা খুবই সহজ সরল স্বাভাবিক প্রকৃতির। আমরা দু’জন অচেনা মানুষ রাস্তা দিয়ে হাঁটছি আর ছবি তুলছি, এই দৃশ্য দেখে যেকোন মেয়ে একটু সতর্ক হয়ে হাঁটবে, ছবি তুলছি কি-না খেয়াল করবে। অথচ এখানে যতগুলো মেয়ে আমাদের ক্রস করল, কেউ খেয়ালই করল না আমাদের, পাত্তাই দিল না। এমন একটা ভাব যেন এখানে কেউ নেই। বিষয়টা আমাদের মুগ্ধ করল। ব্রহ্মপুত্র এখন আর নদ নেই, বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেত, বলা যেতে পারে ‘ব্রহ্মপুত্র ধান ক্ষেত’, এরকম একদিন স্বনামধন্য ‘পদ্মা ধান ক্ষেত’-‘মেঘনা ধান ক্ষেত’ও হবে এ দেশে। অনেক চেষ্টা তদবির করে দুটি টিকিট ম্যানেজ করে বিকালে রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দেশে।


সর্বশেষ


সর্বাধিক পঠিত

Music | Ringtone | Book | Slider | Newspaper | Dictionary | Typing | Free Font | Converter | BTCL | Live Tv | Flash Clock Copyright@2010-2014 turiseguide24.com. all right reserved.
Developed by i2soft Technology