ইউনাইটেড কিংডম

স্কটল্যান্ডের আ্যালফার্ড একাডেমিতে

প্রকাশ : 08 সেপ্টেম্বর 2014, সোমবার, সময় : 07:42, পঠিত 1657 বার

মোঃ শফিকুল আলম বুলবুল
১৮ জুন ১২ সকালে জেকি রোজ বাসা থেকে সংগে করে আ্যালফাড একাডেমিতে নিয়ে আসলেন। আমরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের কানেকটিং ক্লাস রুমস প্রজেক্ট থেকে স্কটল্যান্ডের শিক্ষা কার্যক্রম পরির্দশনের জন্য  বগুড়া থেকে  স্কটল্যান্ড এসেছি। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ ভমিকা রেখেছে । যুক্তরাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচক্ষে দেখার জন্য   আজকের প্রোগ্রামে আ্যালফাড একাডেমি ও আ্যালফাড প্রাইমারী পরিদর্শনের ব্যবস্থা করেছেন কর্তৃপক্ষ । যুক্তরাজ্যের  প্রাইমারী স্কুলগুলোতে  অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করানো হয়। যুক্তরাজ্যের নাম করা একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের জন্য আমার  আগে থেকে তেমন কোন প্রত্তুতি ছিল না।  আমি ২০১০ সালেও এই একাডেমি পরিদর্শন করেছিলাম তবে এবারের পরিদর্শন অন্য রকম। এখানে আমার জন্য ২টি ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১টি একাডেমিতে নবম শ্রেণিতে আর ১টি প্রাইমারীতে ষষ্ঠ শ্রেনিতে । আ্যলফার্ড একাডেমিতে পৌছে দেখি আমাদেরকে স্বাগতম জানানোর জন্য স্কটল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহি পোশাক পড়ে তিন জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করছে।  বাজনার মাধ্যমে স্বাগতম জানিয়ে আমাদেরকে অধ্যক্ষের রুমে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখানে পূর্বে থেকে তিনজন শিক্ষার্থী অপেক্ষা করছে আমাদেরকে একাডেমিটা ভাল করে দেখানোর জন্য ।  আমাকে  আর  রাবেয়া আপাকে (প্রধান শিক্ষিকা , বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) নিয়ে শিক্ষার্থীরা নিয়ে গেল । বিভিন্ন ক্লাসরুম , ক্লাসে পাঠদান পদ্ধতি দেখানো , কর্মমুখি ক্লাসের কার্যক্রম ও লাইব্রেরি , কম্পিউটার ক্লাস , ড্রইং ক্লাস, নাচের ক্লাস, শারীরিক ক্লাস , সুইমিংপুল এবং খেলার মাঠ দেখানো হলো। কর্মমুখি ক্লাসে দেখলাম ঘানার এক শিক্ষক জুযেল ক্লাস নিচ্ছে । সেখানে শিক্ষকার্থীরা গাড়ি তৈরি করেছে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য । এর পর আবারো অধ্যক্ষের রুমে এসে বসে নাস্তা খাওয়ার পর নিদিষ্ট ক্লাসের রুটিন হাতে ধরিয়ে দেওয়া হলো।


আমাকে নবম শ্রেণিতে যেখানে জার্মান ক্লাস চলছিল সেখানে ক্লাস নিতে হবে । আমি যথাসময়ে ক্লাসে উপস্থিত হয়ে প্রথমে আমার চোখ পড়লো ঐ ক্লাসের শিক্ষার্থী সামের ওপর । সে আমার ছেলের বন্ধু  । সামের নানী আ্যন ২০০৯ সালে বগুড়া জিলা স্কুলে এসেছিল এবং আমার বাসায় ডিনারে যোগ দিয়েছিল এবং আমার ছেলের সাথে সামের একটা যোগাযোগ করে দিয়েছিল যা আজও চলছে। সাম মে মাসে আ্যালফার্ড একাডেমি থেকে আমেরিকা ঘুরে এসেছে। আর সামের বোন লুসি সে আ্যালফার্ড প্রাইমারীতে পড়ে।  আমার মেয়ে রাহার  সাথে ওর বেশ বন্ধত্ব।  রাহা লুচির বেশ ছোট । আমার ফেস বুকে লুচি ছবি দেখে ওর কাছে আমার মাধ্যমে লেখালেখি করে আই এম ফাইন লুচি এন্ড হাউ আর উই ? রুকাইয়া রাহা  কেজি ক্লাসের ছাত্রী সে তার মেমের কাছে থেকে শিখিয়ে নিয়েছে। আমি যখন অন লাইনে কাজ করি তখন রাহার বায়না লুচির ছবি বের কর ? দেখবো ? ক্লাসে শিক্ষকার্থীরা বাংলাদেশের ভূগৌলিক অবস্থান এবং বাংলা ভাষা নিয়ে ক্লাসে আলোচনা হলো। বাংলা শব্দকে ইংরেজির মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হলো এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।  বাংলাদেশের পাট নিয়ে ওদের প্রচুর আগ্রহ । কারন ডান্ডি স্কটল্যান্ডে অবস্থিত এবং পাটের জন্য জগত বিখ্যাত। কিভাবে পাঠের চাষ হয় এবং কিভাবে আঁশ ছড়ানো হয় । পাট থেকে কি কি তৈরি হয় এবং ম্যানগ্রোভ সর্ম্পকে জানতে চায়। ম্যানগ্রোভ বন কেন নাম করন হয়েছে সেখানে কি কি পাওয়া যায় । রয়েল বেঙ্গল টাইগার ওখানে পাওয়া যায় কিনা ইত্যাদি প্রশ্ন।  এক ঘন্টার ক্লাস ।  আমি এই প্রথম স্মাট বোর্ড ব্যবহার করলাম । অনেক শুনেছি স্মার্ট বোডের গল্প । আর আজ নিজ হাতে র্স্মাট বোর্ডে কাজ করছি ।  ওরা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত শুনতে আগ্রহি হওয়ায় আমি অনলাইন থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগিতের বাংলা ও ইংরেজি গান শুনিয়ে দিলাম আর ম্যানগ্রোভ বন , পাটের খেত বাংলাদেশের কৃষক এবং ভাষা সর্ম্পকে ধারনা দিলাম । শিক্ষার্থীরা ইংরেজি পরিবর্তে বাংলা ভাষায় উত্র দিতে এবং পরে তা ইংরেজিতে লিখিয়ে দিতে বললো। ক্লাসে আমার সাথে যে শিক্ষিকা ছিলেন তিনি আমাকে জানালেন যে এটা জার্মান ক্লাস এখানে জার্মাান ভাষা শিখানো হয় এবং জার্মান ভাষাকে ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে বুঝানো হয়।  ব্যাপারটা আমাকে খুব আনন্দ দিল। ওরা বাংলা ভাষা শিখতে চায় । হাতে সময় অল্প । তাই অল্প সময়ে বাংলা ভাষা সর্ম্পকে ইংরেজিতে লেখে বুঝানো হলো। যেমন তুমি কেমন আছ ? How are you ? I am fine  আমি ভাল আছি . Brother মানে ভাই  , Sister মানে বোন  , Father মানে বাবা  , Mother মানে মা . Thank you মানে তোমাকে ধন্যবাদ ইত্যাদি  শিখানো হলো।  এক পর্যায়ে দুজন শিক্ষার্থী  আ্যালফার্ড একাডেমিতে আসার জন্য মি. শফিকুল আলম বুলবুল তোমাকে ধন্যবাদ । লেখেছে। আমি আশ্চর্য হলাম কি করে এত দ্রুত বাংলা তারা লেখতে পেল।  জামার্ন শিক্ষিকা আমাকে জানানো ঐ দুজন জার্মান ক্লাসেও খুব পারদর্শী । একবার দেখে এবং শুনেই বলতে ও পড়তে পারে। ওদের প্রধান শিক্ষিকা এ সংবাদ জেনে খুব খুশি তাই আমাকে প্রস্তাব দিল আগামী কাল আ্যালফার্ড প্রাইমারীতে বাংলা ভাষায় ক্লাস নিতে । আমি তাদের প্রস্তাবে রাজি হলাম। জেকি রোজ খুব খুশি আমার পাদর্শিতায় । জেকি রোজ প্রধান শিক্ষিকার কাছে আমার সুনাম করেছে সে সাথে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষিকাকে বলেছে Mr. Shafiqul Alam is rich and good teacher . we are very happy for his class. আমি যখন জানতে পারলাম আমার সর্ম্পকে শিক্ষার্থীদের মন্তব্য। তখন আমাকে খুবই  ভালো লেগেছে  । আ্যালফার্ড আ্যাকাডেমিতে ক্লাস নেওয়া বিরাট   সম্মানের ব্যাপার । যুক্তরাজ্যের নাম করা একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  । শিক্ষার্থীরা তাদের হাতের লেখা আমাকে এবং প্রধান শিক্ষিকাকে উপহার দিল। তখন সুদুর উইরোপের মাটিতে বসে চিন্তা করলাম আমি সত্যিই আজ স্বার্থক। স্বার্থক আমার বাবা , মা , ভাই , বন্ধু, সহকর্মি,  দেশ  এবং বাংলাদেশের ব্রিটিশ কাউন্সিলের কানেকটিং ক্লাসরুম প্রজেক্টের কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা জীবনের স্কুল  যেখানে আমি আমার প্রাইমারী ও স্কুল জীবনে  লেখাপড়া শিখেছি এবং সম্মান জানালাম বীর ভাষা শহিদদেরকে ।  আমি যখন বললাম বাংলা ভাষাকে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা হিসাবে গন্য করা হয় । আমার কথা শুনে শিক্ষকার্থীরা অবাক । তাই তারা  বাংলা ভাষার জাতীয় সংগিত শুনতে চায়। আমি  স্মাটবোর্ডে আমাদের জাতীয় সংগিত উপস্থান করলাম এবং তাদেরকে সম্মান জানাতে বললাম।  শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে সম্মান জানালো ।  আমি ভারতীয় হোটেলে রাতের খাবার খেতে যেয়ে আমাদের মত চেহারা দেখে সাহস করে বললাম ভাই আপনার বাড়ী কোথায় সে জানালো কুমিল্লায় এবং মালিকের বাড়ী  সাতরীক্ষা । ভাল হলো ওনারা বললেন আজ আপনাদেরকে বাংলাদেশের রান্না খাওয়াবো । আমি পানি চাইলাম ঠান্ডা পানির সাথে বরফ দিয়ে নিয়ে এসেছে শ্রীলংকার এক মেয়ে । আমি ওর দিকে তাকিয়ে আছি এমন সময় বাঙলাদেশী ভাই আমাকে বললো গরম পানি চাইলে গরম পানি দিবে। আমি পানির চেয়ে কোকো কোলা বেশি পছন্দ করলাম। কারণ পানি চেয়ে কোকো কোলার দাম কম । খেতে গল্প প্রসঙ্গে ছেলে মেঢেদের কথা উঠে আসলেঅ । হোটেলের ভাই বললো তার মেয়ে আ্যালফার্ড একাডেদিতে পড়ে এবং সেখানে বাংলাদেশের বগুড়া থেকে তিন জন শিক্ষক এসেছে। আমি বললাম আমারাই তিন জন । সে জেনে খুশি । খুব যত করে খাওয়ালো । পেট ভরে তৃপ্তিসহকারে ভাত খেলাম। ওদিকে রাবেয়া আপাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ্ আ্যবাডিনে অবস্থিত একমাত্র বালিকা বিদ্যালয় দেখানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের প্রশংসা আর জার্মান শিক্ষিকার প্রংশায় আমাকে তাদের সমাবর্তন অনূষ্ঠানে ভাষন দেওয়ার আমন্ত্রন জানালো হলো আমাকে। আমি সাদরে তা গ্রহন করলাম  এবং বলা হলো আমি কি বললো তা আজ লিখে দিতে হবে । আমি চিন্তায় পরলাম। পরে লেখলাম এবং তা পৌছে দিলাম কর্তৃপক্ষের কাছে। ও দিকে অনুষ্ঠানের পোস্টারে আমার নাম প্রকাশ করা হয়েছে ।


আমি ভাষন দিব আমার এই সংবাদে রাবেয়া আপা খুশি । আমিই প্রথম একমাত্র এশিয়ান তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষন দিব। আমি স্কুলের অনুষ্ঠানে কথা বলেছি তাই বলে আর্ন্তজাতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষন দিব এর চেয়ে বড় আর কি পাওনা হতে পারে।  আমাকে যখন জেকি রোজ এই সংবাদ দিল আমার লেখা ভাষন অনুমোদন পেয়েছে । তখন জেকিকে বললাম প্রথমে বাংলায় ভাষন দিব পরে ইংরেজিতে।  তিনি অধ্যক্ষের সাথে পরামর্শ করে জানালেন ওকে । আমি খুশি হলাম , আনন্দ পেলাম । সাথে সাথে আমার স্ত্রী রুবাকে জানালাম বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় আমি সমাতর্বন অনুষ্ঠানে ভাষন দিব এবং বাবার সাথে কথা বরার চেস্টা করলাম কিতু হলো না তিনি শুনলাম ঘুমাচ্ছেন । আমার বাবার বযস প্রায় ৯৬ বছর। আমার এই ভাষন লন্ডন সহ ইউরোপের শিক্ষা বিষয়ক ওযেব সাইট গ্লো এবং আ্যালফার্ড অ্যাকাডেমির নিজস্ব ওয়েব সাইটে এবং ইউ টিউবে থাকবে। আমি প্রথমে বাংলায় ভাষন দেওয়ায় সেখানে উপস্থিত অতিথিদেরকে  আশ্চার্য হতে দেখেছি । ওদের ধারণা আমি বাংলায় শুধু ভাষন দিব । পরে যখন ইংরেজিতে ভাষণ দিলাম তখন সবাই খুশি পুরা হল রুম হাতের তালিতে ভরে উঠলো । রাবেয়া আপা খুব প্রংশসা করলেন । বললেন খুব ভালো বলেছেন এবং ভালো হয়েছে। আমাদের পাটর্নার শিক্ষকরা তারাও  খুশি । আজ আমার মনে পড়ে সেই ২০১০ সালের ৫ অক্টোবরের কথা । ঢাকা বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সেমিনার কক্ষে বিএসবি ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা এবং স্বর্ণ পদক দেওয়ার কথা । বাংলাদেশের  সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ আলাউদ্দিন আহমেদ আমাকে সোনার পদক পড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় প্রধান মন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা যা টিভি চ্যানেল এটিআ্যনে দেখানো হয়। সে দিন আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন জীবনে অনেক দূর যাবে তুমি আমি দোয়া করলাম । আমি আর রাবেয়া আপা একটা ক্লাস পরির্দশনে গেলাম যেখানে ইংরেজী ক্লাস চলছে । ক্লাস দেখে জেকি রোজের সাথে লাইব্রেরীতে গেলাম । হাজারো বইয়ের সমারোহ । আমি ইচ্ছা করে কিছুক্ষণ বসলাম জানিনা আর কোন দিন এখানে আসতে পারবো কিনা ?  জেকি রোজ আমার ছবি ওঠানো । আমিও ছবি তুললাম । দুপুরে  মাছ, পাস্তা , আলু ভাজি আর পানীয় পান করলাম। পরে আমি আর সামছুল ভাই গেলাম জীব বিজ্ঞানের ব্যবহারিক ক্লাসে। এদিকে সেই বাংলাদেশী ছাত্রী মেহনাজকে খুঁজতে অফিসে গেলাম জেকি রোজের সাথে । কিন্তু মেহনাজ সকালের শাখায় লেখাপড়া করায় আমরা তার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারলাম না। পরের দিন প্রাইমারী শাখায় গেলাম জেকি রোজের সাথে । বগুড়া জিলা স্কুলে যেমন প্রাইমারী শাখা রয়েছে তেমনি । তবে বগুড়া জিলা স্কুলে প্রাইমারী শাখার জন্য আলাদা শিক্ষক না থাকলেও সেখানে রয়েছে।  অনেকের সাথে দেখা হলো  । ভালো লাগলো তাদের সাথে আলাপ করে। সেখানেও আমরা সবাই ক্লাস নিলাম । পরে আমাদের সম্মানে তাদের জাতীয় নাচের আয়োজন করা হয় । দুপুরের খাওয়ার পর নাচ দেখলাম। ছোট ছোট মেয়েরা তাদের জাতীয় পোশাক পড়ে নাচছে। ভাল লাগলো। আমি আর বড় আপা গল্প করছি আর দেখছি একটা ছেলে এসেছে অষ্ট্রেলিয়া থেকে ঐ স্কুলে পড়তে। সে আমাদেরকে দেখালো কি কি সংগ্রহ করতে পেরেছে ? আমার অন্য ব্লেজারের পকেটে বাংলাদেশী মুদ্রা এবং নোট ছিল তাই ওকে আর দিতে পারলাম না। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও ? সে বললো পুলিশ অফিসার হবে ? তাপর পর স্কুল শেষে জেকি রোজের সাথে ঘুরতে বের হলাম। রাত নয়টা তখনও  সূর্যের দেখা যাচ্ছে । আমাকে খুব ভালো লাগছিলো রাতের দৃশ্য। দেশে এসে রাতের বেলায় সে দৃশ্যের কথা মনে পড়ে।  ধন্যবাদ ব্রিটিশ কাউন্সিলকে ।

মোঃ শফিকুল আলম বুলবুল
সহকারি শিক্ষক
বগুড়া জিলা স্কুল।
shafiqul.alambulbul@yahoo.com

আপনার পছন্দের আরও কিছু লেখা


সর্বশেষ


সর্বাধিক পঠিত

Music | Ringtone | Book | Slider | Newspaper | Dictionary | Typing | Free Font | Converter | BTCL | Live Tv | Flash Clock Copyright@2010-2014 turiseguide24.com. all right reserved.
Developed by i2soft Technology